মঙ্গলবার, ৩১শে জানুয়ারি, ২০২৩ খ্রিস্টাব্দ, দুপুর ১২:৩৯

শিরোনাম :
ভোলা-লক্ষ্মীপুর নৌরুটে লঞ্চ-ফেরি চলাচল ব্যাহত বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানায় ওসি আনোয়ার হোসেনের যোগদান ফেসবুক লাইভে এসে ৪ জনকে চাকরিচ্যুত করলেন মেয়র সাদিক প্রধানমন্ত্রীর স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষকদের ভূমিকা অপরিসীম : পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী বরিশালে যমুনা টিভির সাংবাদিকসহ ৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা শেবাচিমে চিকিৎসায় অবহেলায় মৃত্যুর অভিযোগে মেডিকেলে ভাঙচুর ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের ভিড়ে ওবায়দুল কাদেরসহ ভেঙে পড়ল মঞ্চ আবুধাবিতে লটারিতে ৯৮ কোটি টাকা জিতলেন প্রবাসী বাংলাদেশি বর্ণাঢ্য আয়োজনে বরিশালে ছাত্রলীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন টিসিবির বাড়তি দামে পণ্য কিনতে এসে ভোগান্তি
বরিশালে বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি বাস টার্মিনালে ভোগান্তির শেষ নেই

বরিশালে বৃষ্টি হলেই হাঁটুপানি বাস টার্মিনালে ভোগান্তির শেষ নেই

dynamic-sidebar

খবর বরিশাল ডেস্ক : বরিশাল নগরীর দক্ষিণ-পশ্চিম প্রান্তে রূপাতলী বাস টার্মিনাল। এখান থেকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ রুটে প্রায় ৪০০ বাসে প্রতিদিন ৩০ থেকে ৪০ হাজার যাত্রী যাতায়াত করেন। অথচ বৃষ্টি হলেই টার্মিনালের ভেতর ও আশপাশে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। এতে যাত্রীদের পোহাতে হয় দুর্ভোগ। নারী ও শিশুদের পাশাপাশি বাসচালক, শ্রমিক ও মালিকদেরও ভোগান্তির শেষ থাকে না।

গত রোববার সকাল থেকে সোমবার দুপুর পর্যন্ত থেমে থেমে বৃষ্টি হয় বরিশালে। স্থানীয় আবহাওয়া বিভাগ এই সময়ে ৪৭ দশমিক ৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে। সোমবার রূপাতলী টার্মিনাল ঘুরে দেখা যায়, অল্প বৃষ্টিতেই হাঁটুপানি জমেছে রূপাতলী টার্মিনালের ভেতর।

বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির এক নেতা জানান, প্রায় পাঁচ বছর ধরে রূপাতলী বাস টার্মিনালের অবস্থা করুণ হলেও এর রক্ষণাবেক্ষণ কর্তৃপক্ষ বরিশাল সিটি করপোরেশন (বিসিসি) সংস্কারের উদ্যোগ নিচ্ছে না। ওই সমিতির সাধারণ সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন বলেন, যাত্রীসেবা তো দূরের কথা, প্রায় ৫ বছর ধরে বৃষ্টি হলে টার্মিনালে বাস রাখাই মুশকিল হয়ে পড়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেও হাঁটুপানি জমে টার্মিনালের ভেতর। তখন বাসগুলো মহাসড়কের পাশে রাখতে বাধ্য হন চালকরা।

তিনি আরও বলেন, বাস টার্মিনালটি বর্তমান জায়গা থেকে স্থানান্তরের চিন্তাভাবনা করছে বিসিসি কর্তৃপক্ষ। এ জন্য বারবার সংস্কারের আবেদন করলেও তাঁরা কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না।
রূপাতলী বাস টার্মিনাল থেকে বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুরের পাশাপাশি বাগেরহাট ও খুলনা জেলার ২১ রুটের যাত্রীরা যাতায়াত করেন।

ঝড়বৃষ্টি হলেই তাঁদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। ঝালকাঠির যাত্রী বাবুল মোল্লা বলেন, বৃষ্টির পানি জমে থাকার কারণে কাউন্টারে যাওয়া যায় না। বাসে উঠতে হয় পা ভিজিয়ে। এভাবে যাতায়াত করা কষ্টকর।

ভাণ্ডারিয়া রুটের যাত্রী মনিরুজ্জামান বলেন, টার্মিনাল ভবনের সবক’টি টয়লেটও ব্যবহারের অনুপযোগী। যাত্রীদের বসার স্থানগুলো দখলে থাকে হকার ও শ্রমিকদের।

টার্মিনালের হোটেল ব্যবসায়ী মাহবুব বলেন, এখানকার বিদ্যুৎ সরবরাহের খুঁটিগুলোতে বাতি এবং বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। রাতে গোটা টার্মিনাল এলাকা অন্ধকার হয়ে থাকে। এ সময় বখাটেরা টার্মিনালে ঢুকে মাদকের আড্ডা জমায়। প্রায়ই গাড়ির যন্ত্রাংশ চুরির অভিযোগও পাওয়া যায়।

বরিশাল-পটুয়াখালী মিনিবাস মালিক সমিতির সভাপতি মমিন উদ্দীন কালু বলেন, মালিক সমিতি প্রতি বছর সিটি করপোরেশনকে ২০ লাখ টাকা টোল দেয়। কিন্তু টার্মিনালের কোনো উন্নয়ন হয় না। টার্মিনালের যাত্রী টয়লেটের ইজারাদার আসলাম অভিযোগ করেন, একটু ভারি বৃষ্টি হলেই টয়লেটগুলো পানিতে ডুবে যায়। এতে টয়লেটের ময়লা উপচে টার্মিনালের ভেতরে চলে আসে।

রূপাতলী বাস টার্মিনালের দুরবস্থার বিষয়ে বিসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ ফারুক আহম্মেদ বলেন, টার্মিনালটি স্থানান্তরের চিন্তাভাবনা রয়েছে। তাই স্থায়ী কোনো সংস্কারের কাজ হচ্ছে না। তবে সম্প্রতি টার্মিনাল পরিদর্শনে গিয়ে সেখানকার দুরবস্থা দেখেছি। চলতি সপ্তাহেই সংস্কারের জন্য প্রয়োজনীয় বরাদ্দ দিয়ে কাজ শুরু হবে।

আমাদের ফেসবুক পাতা


© All rights reserved © 2018 DailykhoborBarisal24.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net

shares