মঙ্গলবার, ৭ই ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০৫

দ্বিতীয় ধাপের ভোটযুদ্ধ আজ

dynamic-sidebar

অনলাইন ডেস্কঃ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে অব্যাহত সহিংসতার মধ্যেই আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় ধাপের ৮৪৬টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ভোট। এরই মধ্যে ভোট আয়োজনের সব প্রস্তুতি শেষ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সহিসংতা রোধে ভোট কেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকাগুলোতে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। মাঠে নেমেছেন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বিভিন্ন বাহিনীর পর্যাপ্ত সংখ্যক সদস্যসহ ৬৭০ জন বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট। বিধিভঙ্গের ঘটনায় মামলা এমনকি প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত দিতে পারবেন তারা। ভোট সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করতে পাঁচটি নির্দেশনা দিয়ে আদেশ জারি করেছে নির্বাচন ইসি। নির্বাচন কমিশন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বিভিন্ন বাহিনীর চৌকস কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠন করা হয়েছে মনিটরিং সেল।ইসির জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা জানান, কমিশন নির্বাচনী সহিংসতা নিয়ে উদ্বিগ্ন। তাই পর্যাপ্ত সংখ্যক ম্যাজিস্ট্রেট মাঠে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

তারা নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়টি কঠোরভাবে দেখভাল করবেন। সম্প্রতি প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদাও প্রার্থীদের প্রতি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, কারো জন্য নির্বাচনী পরিবেশ নষ্ট হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রয়োজনে প্রার্থিতা বাতিল করে দেয়া হবে। এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব). শাহাদাত হোসেন চৌধুরী বিভাগীয় কমিশনার, রিটার্নিং কর্মকর্তাদের আচরণবিধি প্রতিপালনের বিষয়ে কঠোর হতে বলেছেন।এদিকে বরিশাল জেলার তিন উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।ইতিমধ্যে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণা সম্পন্ন করেছেন প্রার্থীরা। এ বারের নির্বাচন ব্যালটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ হবে। এদিকে, নির্বাচনের সময় যতো এগিয়ে আসছে ভোটের উত্তাপও ততোই বাড়ছে। যদিও এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে বিএনপি অংশগ্রহণ না করায় আওয়ামী লীগ, বিদ্রোহী ও হাত পাখা প্রার্থীরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।বরিশাল সিনিয়র জেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, ২য় ধাপের এই নির্বাচনে বরিশাল সদর এবং আগৈলঝাড়া ও বানারীপাড়া উপজেলার ১২ টি ইউনিয়নে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।

চেয়ারম্যান, সংরক্ষিত ও সাধারণ ওয়ার্ডের সদস্য নির্বাচনে মোট ১১৪ টি কেন্দ্রে ভোট প্রদান করবেন ভোটাররা। ৩ উপজেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ২ লাখ ৫৭ হাজার ৯২২ জন। এর মধ্যে বরিশাল সদর উপজেলায় কেন্দ্রের সংখ্যা ৫৫ টি, মোট ভোটার ১ লাখ ১৫ হাজার ২৯৭ জন। বানারীপাড়ায় কেন্দ্র রয়েছে ৯ টি, ভোটার সংখ্যা ২০ হাজার ২৯৩ জন এবং আগৈলঝাড়ায় ৫০ কেন্দ্রের বিপরীতে মোট ভোটার রয়েছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৩৩২ জন। ১২ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে মোট বৈধ প্রার্থীর সংখ্যা ৪৮ জন।এদিকে ২য় ধাপে বরিশাল বিভাগের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনার জন্য প্রশাসন ক্যাডারের ১৫ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে সরকার। মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে এই নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন উপলক্ষে নির্বাচনী এলাকার আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা, অপরাধ প্রতিরোধ ও আচরণবিধি প্রতিপালনের জন্য বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (প্রশাসন) ক্যাডারের ১৫ জন কর্মকর্তাকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর ১৮৯৮’ এর ১০(৫) ধারা অনুযায়ী ১০ থেকে ১২ নভেম্বর পর্যন্ত ‘মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯’ এর ৫ ধারা অনুযায়ী আইনের তফসিলভুক্ত আইনের আওতায় তাদের মোবাইল কোর্ট পরিচালনার ক্ষমতা দেওয়া হলো। নিয়োগপ্রাপ্ত নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের বুধবার (১০ নভেম্বর) সকালে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের কাছে আবশ্যিকভাবে যোগদান/রিপোর্ট করবেন। বিভাগীয় কমিশনার প্রয়োজনীয়তার নিরিখে তার অধিক্ষেত্রে যোগদান করা নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটকে দায়িত্ব বণ্টন করবেন।বিধি ভাঙলে প্রার্থিতা বাতিল: নির্বাচন উপলক্ষে ৬৭০ জন ম্যাজিস্ট্রেট (হাকিম) মাঠে থাকবেন। নামিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। নির্বাচনী অপরাধ করলে তারা মামলা দেবেন। এমনকি প্রার্থিতা বাতিলও করতে পারবেন। ইসির নির্বাচন ব্যবস্থাপনা শাখার যুগ্মসচিব ফরহাদ আহাম্মদ খান জানান, ১১ নভেম্বর দ্বিতীয় ধাপের ভোট হবে ইউপিতে। এজন্য মাঠে নামানো হয়েছে ৩৩৯ জন নির্বাহী হাকিম। বিচারিক হাকিম রয়েছেন ৩৩১ জন। আগামী শনিবার পর্যন্ত নির্বাচনী এলাকায় দায়িত্ব পালন করবেন তারা। নির্বাহী হাকিমরা থাকবেন শুক্রবার পর্যন্ত। ইসির আইন শাখার সিনিয়র সহকারী সচিব মোসাম্মৎ শাহীনূর আক্তার জানান, মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ এর আওতায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা ও অপরাধ প্রতিরোধ কার্যক্রম এবং ওই আইনের তফসিলে বর্ণিত মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯ অনুযায়ী আগের মতো ১১৩টি উপজেলার প্রতিটির জন্য ৩ জন করে মোট ৩৩৯ জন নির্বাহী হাকিম নিয়োগ করা হয়েছে। বিচারিক হাকিমরা ১৩ নভেম্বর পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করবেন।

 

উপজেলা ভেদে কোথাও তিন আবার কোথাও দুই ইউপির জন্য একজন করে বিচারিক ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োজিত থাকবেন। ভোটের ফৌজদারি অপরাধসহ বিভিন্ন অপরাধের সংক্ষিপ্ত বিচারকাজ পরিচালনা করবেন তারা। শাহীনূর আক্তার জানান, স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ ও পৌরসভা) নির্বাচন বিধিমালার অধীন নির্বাচনী অপরাধসমূহ ‘দ্য কোড অব ক্রিমিনাল প্রসিডিউর, ১৮৯৮ (অ্যাক্ট নম্বর পাঁচ)’-এর ১৯০ ধারার অধীনে আমলে নেয়া ও তা সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে বিচারের জন্য দায়িত্ব পালন করবেন বিচারিক হাকিমরা।পাঁচ নির্দেশনা: দ্বিতীয় ধাপের ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে আইন-শৃঙ্খলা সমন্বয় ও মনিটরিং সেল গঠন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধি এবং বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতিনিধির সমন্বয়ে এ সেল গঠন করা হয়েছে। ইসির উপ-সচিব আতিয়ার রহমানের সই করা এক আদেশপত্র থেকে এ তথ্য গেছে।ইসি কর্মকর্তারা জানান, মনিটরিং সেলের প্রধান করা হয়েছে আইডিয়া প্রকল্পের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোহাম্মদ আবুল কাশেম মোহাম্মদ ফজলুল কাদেরকে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের উপ-সচিব পদমর্যাদার কর্মকর্তা, পুলিশের এসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তা, বিজিবি ও র্যাবের অতিরিক্ত পরিচালক, মেজর, আনসার ও ভিডিপির মেজর অথবা উপ-পরিচালক কর্মকর্তা এবং আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার অথবা সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার কর্মকর্তারা মনিটরিং সেলের কমিটিতে থাকবেন। ভোটগ্রহণের দিন নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের মনিটরিং সেলের কার্যক্রম নির্বাচন কমিশন সচিবালয় থেকে পরিচালিত হবে।

সেলের কার্যক্রম সম্পর্কে ইসির আদেশে বলা হয়েছে- ১. নির্বাচনের দিন আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে নির্বাচন কমিশনকে অবগতকরণ, ২. সেলে অন্তর্ভুক্ত সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধি কর্তৃক নির্বাচন উপলক্ষে মোতায়েনকৃত আইন-শৃঙ্খলা সদস্যদের অবস্থা ও সার্বিক অবস্থা সম্পর্কে জ্ঞাতকরণ, ৩. সংস্থার নিজস্ব যোগাযোগ নেটওয়ার্কের মাধ্যমে কমিশনের নির্দেশনা তাৎক্ষণিকভাবে অবহিতকরণ, ৪. ভোটকেন্দ্র বা নির্বাচনী এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষার্থে বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় সাধন, ৫. ইভিএমসহ বিভিন্ন নির্বাচনী মালামাল পরিবহন, বিতরণ এবং ভোটগ্রহণ কাজে নিরাপত্তা বিধানের জন্য মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে নিয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় করে রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার ও প্রিজাইডিং অফিসারদের সহায়তা প্রদান।মোটরবাইক বন্ধ ৫৪ ঘণ্টা : ভোটের এলাকায় ৫৪ ঘণ্টার জন্য মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন এক্ষেত্রে ৯ নভেম্বর মধ্যরাত ১২টা থেকে ১২ নভেম্বর সকাল ৬টা পর্যন্ত নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। ইসির উপ-সচিব আতিয়ার রহমান জানিয়েছেন, এরই মধ্যে সংশ্লিষ্ট নির্দেশনা পাঠিয়ে দিয়েছে। জেলা প্রশাসক এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

 

তিনি বলেন, শুধু মোটরসাইকেল নয়, সব যন্ত্রচালিত যানবাহন আগামী ১০ থেকে ১১ নভেম্বর মধ্যরাত পর্যন্ত চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে সাংবাদিক, নির্বাচন কর্মকর্তা-কর্মচারী, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীসহ জরুরি সেবার কাজে নিয়োজিতদের জন্য এ নিষেধাজ্ঞা প্রযোজ্য হবে না।ভোটযুদ্ধে ১৭টি রাজনৈতিক দল : দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে ১৭টি রাজনৈতিক দল প্রার্থী দিয়েছে। তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি প্রার্থী দিয়েছে আওয়ামী লীগ। সবচেয়ে কম প্রার্থী জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ও ইসলামী ঐক্যজোটের। ইসির উপ-সচিব মিজানুর রহমানের সই করা প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ‘আওয়ামী লীগ চেয়ারম্যান পদে ৮৩৮ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ৩৬৮ জন, জাতীয় পার্টি ১০৭ জন, জাতীয় পার্টি (জেপি) ৩ জন, কংগ্রেস ৭ জন, জাকের পার্টি ৪৯ জন, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল ২৬ জন, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি ৫ জন, বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল ৩ জন, গণতন্ত্রী পার্টি ২ জন, বাসদ ২ জন, খেলাফত মজলিশ ৩ জন, খেলাফত মজলিশ ২ জন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম ১ জন, বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি ৫ জন, ইসলামী ঐক্যজোট ১ জন ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টি ৩ জন প্রার্থী দিয়েছে। স্বতন্ত্র থেকে চেয়ারম্যানে পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন ২ হাজার ৬৫৫ জন।

সবমিলিয়ে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন ৪ হাজার ৮৩ জন।বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ৩১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী : দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামী লীগ মনোনীত ৩১ জন চেয়ারম্যান প্রার্থী বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় বিজয়ী হতে যাচ্ছেন। নির্বাচন কমিশনের যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান বলেন, যদি প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বৈধ থাকে তাহলে নিজ নিজ নির্বাচনী এলাকার একমাত্র প্রার্থী হিসেবে তাদের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে। একক প্রার্থী নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছেন এমন ৩১টি ইউনিয়নের মধ্যে চট্টগ্রামের মীরসরাই উপজেলায় ৮টি ও সীতাকুণ্ড উপজেলায় ৪টি, কুমিল্লার লাকসাম উপজেলায় ৫টি ইউনিয়ন রয়েছে। বাকি ইউনিয়নগুলো সিরাজগঞ্জ, যশোর, কিশোরগঞ্জ, বাগেরহাট, জামালপুর, শেরপুর, মানিকগঞ্জ ও নারায়ণগঞ্জের অন্তর্ভুক্ত।বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ৩৬০ জন : দ্বিতীয় ধাপের নির্বাচনে ৩৬০ জন প্রতিনিধি বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। ইসির যুগ্ম সচিব এসএম আসাদুজ্জামান জানান, ১১৫টি উপজেলায় দ্বিতীয় ধাপে ৮৪৬টি ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৪ হাজার ৭৫ জন।

 

বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন ৩ হাজার ৩১০ জন। এরই মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ৮১ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। সংরক্ষিত নারী সদস্যপদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৯ হাজার ৪৯৮ জন। বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে প্রতিদ্বন্দ্বী রয়েছেন ৯ হাজার ১৬১ জন। বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ৭৬ জন। সাধারণ সদস্য পদে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন ৩০ হাজার ৮৮৩ জন প্রার্থী। বাছাই ও প্রার্থিতা প্রত্যাহার শেষে রয়েছেন ২৮ হাজার ৭৪৭ জন। বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ২০৩ জন প্রার্থী।

আমাদের ফেসবুক পাতা


© All rights reserved © 2018 DailykhoborBarisal24.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net

shares