রবিবার, ২৬শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, রাত ১২:০৮

ঝুঁকি নিয়েই বরিশাল ছাড়ছে ঢাকামুখী পোশাক শ্রমিক

dynamic-sidebar

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ গার্মেন্টস খুলে দেওয়ার ঘোষণায় বরিশাল থেকে পোশাকশ্রমিকরা যে যেভাবে পারছেন রাজধানী ঢাকায় যাওয়ার উদ্দেশে রওনা দিচ্ছেন। রিকশায়, ভ্যানে, পায়ে হেঁটে, ট্রাকে বা ট্রলারে বিভিন্ন যানবাহনে করে ভেঙে ভেঙে গন্তব্যে যাচ্ছেন মানুষ। গতকাল শনিবার (৩১ জুলাই) সরেজমিনে এমন চিত্রই দেখা গেছে।

 

নৌপথে যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকায় শনিবার সকাল থেকে লকডাউনে বন্ধ থাকা বরিশাল নগরের নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনাল এলাকায় রাজধানীমুখী পোশাক শ্রমিকদের ভিড় বাড়তে থাকে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাস টার্মিনাল এলাকা লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।তবে যাত্রীবাহী কোনো যানবাহন না থাকায় রাজধানী পর্যন্ত এত দূরের পথ কিভাবে তারা পৌঁছাবে, এ নিয়ে ক্ষুব্ধ হয়ে পড়েন তারা।

 

 

একপর্যায়ে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়কে চলাচালরত পণ্যবাহি ট্রাকের পথরোধও করেন তারা। খবর পেয়ে বিমানবন্দর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ১০/১৫ মিনিটের মধ্যেই পণ্যবাহী ট্রাকের চলাচল স্বাভাবিক করে।তবে তারপরও যে যেভাবে পারছেন, ঢাকার উদ্দেশে এগুচ্ছেন। পুলিশের চেকপোস্ট এড়িয়ে মোটরসাইকেল, বিভিন্ন ধরনের থ্রি-হুইলার ও পণ্যবাহী যানবাহনে চেপে তারা ঢাকার দিকে যাচ্ছেন।পোশাক শ্রমিকরা জানিয়েছেন, পোশাক কারখানা খুলে দেওয়ার সিদ্ধান্তে কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের ১ আগস্ট উপস্থিত হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে।

 

 

এ কারণে বৃষ্টি আর লকডাউন উপেক্ষা করে তাদের রাজধানীমুখী হতে হচ্ছে।আবুল হোসেন নামে এক পোশাক শ্রমিক জানান, কোনো গণপরিবহন না থাকায় দ্বিগুণ খরচে ভোলা থেকে বরিশালে এসেছেন। এখন এখানে এসে কোনো যানবাহন না পেয়ে চরম বিপাকে পড়েছেন।

 

 

পোশাক কারখানা খোলার সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে যানবাহন চলাচলের বিষয়টি সুরাহা না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পোশাক শ্রমিকরা।বরিশাল মহানগরীর বিমানবন্দর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি/তদন্ত) বিপ্লব বড়ুয়া জানান, সকাল থেকে হেটেই বিভিন্ন এলাকা থেকে নারী-পুরুষ পোশাকশ্রমিকরা নগরীর নথুল্লাবাদ বাস টার্মিনালে জড়ো হন। এসময় সেখানে কিছুটা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়।

 

 

পরে অতিরিক্ত পুলিশ অবস্থান নিলে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মহানগরীর আওতাধীন এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন জেলার অসংখ্য শ্রমিক রাজধানীর বিভিন্ন পোশাক কারখানায় কাজ করেন। ঈদুল আজহার সময় ৮ দিন যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হওয়ায়, পোশাক শ্রমিকরা ওই সময়ে বাড়ি ফিরেছিলেন। সেই পোশাক শ্রমিকরাই ঢাকায় পৌঁছা নিয়ে পড়েছেন চরম বিপাকে।’

আমাদের ফেসবুক পাতা


© All rights reserved © 2018 DailykhoborBarisal24.com

Desing & Developed BY EngineerBD.Net

shares